সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ধুবিল মেহমানশাহী গ্রামের সেই গর্বিত ও রত্নগর্ভা মাতা মোছাঃ জহুরা খাতুন আর নেই। আজ রবিবার সকাল ১০টায় ধুবিল মেহমানশাহী দক্ষিণপাড়া কবরস্থানে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে মেয়ে পুত্রবধূ এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমা জহুরা খাতুন ও আব্দুল করিম দম্পতির এই ‘বন্ধন পরিবার’ সিরাজগঞ্জ জেলা তথা সারা দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই দম্পতির ৭ সন্তান এবং ২ পুত্রবধূসহ পরিবারের মোট ৯ জন সদস্য বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপদে কর্মরত থেকে দেশের সেবা করছেন। রত্নগর্ভা এই মায়ের সন্তানদের সাফল্যের গল্প এলাকায় দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত।
আজ সকালে অনুষ্ঠিত জানাজায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। রত্নগর্ভা মায়ের এই বিদায়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন তাঁরা আজীবন সুস্থ ও সৎ পথে থেকে দেশের সেবা করে যেতে পারেন।
এই মহীয়সী নারীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সলঙ্গা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
রত্নগর্ভা মায়ের সেই ৯ সন্তান ও পুত্রবধূ
মো:রফিকুল ইসলাম,জেলা প্রশাসক(ডিসি)দিনাজপুর (বিসিএস ২৭তম ব্যাচ)।
মো:ফোরহাদ হোসেন: সহযোগী অধ্যাপক (বিসিএস ২২তম ব্যাচ)পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি আকবর আলী কলেজ, উল্লাপাড়া।
আজমেরী সুলতানা (পুত্রবধূ)সহকারী অধ্যাপক (বিসিএস ৩২তম ব্যাচ)রানী ভবানি সরকারি মহিলা কলেজ নাটোর।
ছানোয়ার হোসেন: সাবেক মিউজিক ইন্সট্রাক্টর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। মো:ফিরোজ আহমদ,সিনিয়র সহকারী শিক্ষক নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
মো:শফিকুল ইসলাম পোস্টমাস্টার প্রধান ডাকঘর, নাটোর। মো:ফরিদুল ইসলাম বাংলাদেশ রেলওয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা। বিজলী খাতুন সহকারী শিক্ষিকা ধুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সলঙ্গা সিরাজগঞ্জ।
মাহবুবা সুপ্তি (পুত্রবধূ) সহকারী শিক্ষিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ।
সকলেই রত্নগর্ভা মাতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

